গ্যাস্ট্রিকের ব্যথাকে মেডিকেল সায়েন্সে পেপটিক আলসার ডিজিজ বলা হয়। পেপটিক আলসার ডিজিজ বলতে অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক এসিড দ্বারা পাকস্থলীর মিউকোসার প্রদাহর ফলে সৃষ্ট গ্যাস্ট্রাইটিস, গ্যাস্ট্রিক আলসার ও অন্যান্য আলসারকে বুঝানো হয়ে থাকে। যদিও মানুষ সাধারন ভাবে এটিকে গ্যাস্ট্রিক বা গ্যাস নামে অবিহিত করে থাকে, তবে পেটে গ্যাস উৎপাদন বা অধিক গ্যাস নির্গমনের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই বললেই চলে। আমাদের দেশে এ রোগীর সংখ্যা পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। গরীবদের মধ্যে এ রোগ বেশি হয়, তবে নারী পুরুষ প্রায় সমানভাবে এ রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা পেপটিক আলসার ডিজিজ প্রতিরোধ
- নিয়মিত খাবার গ্রহণ করা।
- ভাজাপোড়া খাবার পরিহার করা।
- দুশ্চিন্তা পরিহার করা।
- পর্যাপ্ত ঘুমানো।
- ধূমপান বা মদ্যপান বন্ধ করা।
- ব্যথানাশক ওষুধ যথাসম্ভব কম সেবন করা।
গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা পেপটিক আলসার ডিজিজ এর চিকিৎসা
- এন্টাসিড: এন্টাসিড, এন্টাসিড প্লাস, মারলক্স ইত্যাদি।
- রেনিটিডিন: রেনিসন, রেনিটিড, নিউট্যাক ইত্যাদি।
- ওমিপ্রাজল: সেকলো, কোসেক, ওমিনিক্স, ওমিগাট, ওমিটিড ইত্যাদি।
- প্যান্টোপ্রাজল: প্যান্টোগাট, প্যানটিড ইত্যাদি।
- ইসোমিপ্রাজল: ম্যাক্সেপ্রা, নেক্সাম, এক্সিয়াম, ইসোটিড, ইত্যাদি।
- রেবিপ্রাজল: রেব, ফিনিক্স ইত্যাদি।
অপারেশন
পেপটিক আলসারের ক্ষেত্রে অপারেশন সাধারণত জরুরি নয়। তবে দীর্ঘ মেয়াদী ঔষধ সেবনের পরও যদি রোগী ভাল না হন, কিছু খেলে যদি বমি হয়ে যায় অর্থাৎ পৌষ্ঠিক নালীর কোনো অংশ যদি সরু হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে অপারেশন করিয়ে রোগী উপকৃত হতে পারেন।
তথ্যমতে, ই-মেডিক